3zlp2VbYZXVBK1n6V1Bp5ULmMGs UA-47279049-1 Digital World: November 2011

Saturday, November 26, 2011

My comments about bodystockings.

Nowadays bodystockings is a very popular thing. Bluestockings helpful  for build a very sexy and slim figure. If any one want sesy and slim figure then I think
http://www.badgirlbodystockings.com/
can help a lot. When I browse this website  I saw that It is really helpful.
So, reader if you want to know more then visit
http://www.badgirlbodystockings.com/

Monday, November 14, 2011

Free advise about tax.

Nowadays tax is a part and parcel of modern eonomy. Because tax make a government as well as a country financially stronger. In many country giving tax advising is uite expensive. So  I think
http://www.merchantservicesprotectionplan.net this website can help you a lot.
Because they provide free advise.
For more detail please visit :
http://www.merchantservicesprotectionplan.net/

Monday, November 7, 2011

বউয়ের যত্ন নিন, নিলে কতটুকু নিচ্ছেন জানুন

এই লেখাটি যাদের বউ আছে তাদের জন্য। গোটা জগত্-সংসারে স্বামীদের সুখে থাকার জন্য একটাই নিয়ম—বউকে খুশি রাখুন। এমন কিছু করুন যাতে সে খুশি থাকে। আপনি তাকে কতটা খুশি রাখতে পেরেছেন জানতে নম্বর সংগ্রহ করুন। তার অপছন্দের কিছু করেছেন তো মাইনাস। আবার তার জন্য কিছু করেছেন, কিন্তু সেখানেও কোনো নম্বর পাবেন না, কারণ এটা নাকি আপনার করারই কথা ছিল। হতভাগা স্বামীদের কিছুই করার নেই, জগতের নিয়মটাই এমন নিষ্ঠুর। কীভাবে নম্বর পাবেন আর কীভাবে নম্বর হারাবেন, নিচে তা বিশদভাবে দেওয়া হলো।
 আপনি বিছানা তৈরি করেন এবং মশারি খাটান। (+১)
 বিছানা তৈরি করেছেন কিন্তু মশারি খাটাতে ভুলে যান। (০)
 তার জরুরি দরকার এমন কিছু কিনতে বাইরে যান। (+৫)
 যদি সেটা বৃষ্টির দিনে হয়। (+৮)
 ভুলে সেটা না কিনে যদি পেপার কিনে বাসায় ফেরেন। (-৫)
 রাতে আপনি যদি কোনো রহস্যজনক শব্দ পান এবং সেটা যদি কিছুই না হয়। (০)
 যদি একটা লম্বা লাঠি নিয়ে খুঁজতে বের হন। (+৮)
 কিন্তু শব্দটা যদি তার পোষা বিড়ালের কারণে হয়। (-১০)
 আপনি কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে পুরো সময় তার পাশে থাকেন। (০)
 তার পাশে কয়েক মিনিট থাকার পরই যদি উসখুস করতে থাকেন এবং পরে আপনার কোনো বন্ধুর সঙ্গে গল্প করে কাটান। (-২)
 সেখানে যদি বন্ধুর স্ত্রী থাকে। (-৫)
 স্ত্রীটি যদি সুন্দরী হয়। (-১০)
 তার জন্মদিনে সময়মতো উইশ করতে পেরেছেন কিন্তু খালি হাতে। (-২)
 জন্মদিনে একটা জিনিস উপহার দিয়েছেন কিন্তু তার অপছন্দের। (-১)
 জন্মদিনে যে জিনিসটা উপহার দিয়েছেন সেটা তার খুব পছন্দের। (+৫)
 কিন্তু আপনার খুব অপছন্দের। (+১০)
 তার পছন্দের জিনিসই উপহার দিয়েছেন কিন্তু সেটা সাংসারিক কাজে লাগবে। (-৫)
 বন্ধের দিন তাকে নিয়ে ঘুরতে গেছেন, সিনেমা দেখেছেন। (+১)
 ঘুরতে যাননি। (-৭)
 নিজে একা একা ঘুরে এসেছেন। (-১০)
 যে সিনেমাটি দেখেছেন সেটা তার পছন্দের ছিল। (+৪)
 যে সিনেমাটি দেখেছেন সেটা আপনার অপছন্দের ছিল। (+৮)
 সিনেমাটি আপনার পছন্দের ছিল। (-২)
 আপনি তাকে সাজার পর সুন্দর লাগছে বলেছেন। (+৫)
 বলেননি। (-৮)
 সে মোটা হয়ে যাচ্ছে বলেছেন। (-১০)
 আমাকে কি মোটা লাগছে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে উসখুস করেছেন। (-৫)
 আপনি নিজের ভুঁড়ি কমানো নিয়ে কথা বললেন। (+৭)
 আপনি তাকে ব্যায়াম করতে বললেন। (-১০)
 আপনি তাকে সারপ্রাইজ দিলেন। (+২)
 সে আপনাকে সারপ্রাইজ দিল কিন্তু আপনি স্বাভাবিক ছিলেন। (-৯)
 তার প্রিয় খাবার যদি আপনি পছন্দ করেন। (+১)
 যদি অপছন্দ করেন। (-৪)
 আপনি যদি তাকে নিয়ে ভাবেন। (+১)
 আপনি যদি তাকে নিয়ে কিছু না ভাবেন। (-৬)
 আপনি যদি অন্য কিছু নিয়ে ভাবেন। (-৯)
 শ্বশুর-শাশুড়িকে পছন্দ করেন। (০)
 যদি অপছন্দ করেন। (-৬)
 সেই সঙ্গে যদি নিজের বাবা-মা ছাড়া কিছু না বোঝেন। (-১০)
 অফিস থেকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় ফোন দেন। (০)
 ফোন দেন না। (-৫)
 অফিসে যদি মেয়ে কলিগ থাকে। (-৭)
 সে কলিগ যদি সুন্দরী হয় এবং তার কথা যদি বাসায় বলেন। (-১০)
 তার আগের প্রেম নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করেন না। (+৯)
 আপনার প্রেম নিয়ে কিছু বলেন না। (-৫)
 যদি বলেন আপনার আগে প্রেম ছিল। (-৮)
 যদি বলেন ছিল না। (-১০)
 সে কষ্ট পেলে আপনি কষ্ট পান। (+৪)
 কিন্তু সেটা যদি তার কারণে হয়। (-৫)
 আবার তার ব্যবহারে যদি কষ্ট না পেয়ে স্বাভাবিক থাকেন। (-৯)
 শ্যালিকা আছে। (-২)
 শ্যালিকা আপনার প্রশংসা করে। (-৪)
 আপনি শ্যালিকার প্রশংসা করেন। (-৬)
 শ্যালিকা প্রায়ই বাসায় আসে। (-৭)
 আপনিই তাকে আসতে বলেন। (-৮)
 শ্যালিকা আপনাকে পছন্দ করে না। (+৩)
 আপনি শ্যালিকাকে অপছন্দ করেন। (০)
 আপনি শ্যালিকাকে ভালোবাসেন। (-১)
 খুব ভালোবাসেন না। (-২)
 শ্যালিকা আপনাকে ভালোবাসে কি না জানতে চাইলেন। (-৯)
 সে তার একটা সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় আপনি সেটা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন এবং যখন যে রকম এক্সপ্রেশন দেওয়া দরকার সেটা দিলেন। (০)
 তার কথা আপনি বিনা প্রতিবাদে মনোযোগ দিয়ে আধা ঘণ্টা ধরে শুনলেন। (+২০)
 এর ভেতর একবারও টেলিভিশন অন করার কোনো রকম উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। (+৩০০)
 আপনি এক ঘণ্টা ধরে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। (+১০০০)
 এক ঘণ্টা পর সে আপনার নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেল। (-২০০০)

বিবাহযোগ্য আপামনিরা দেখে নিন, কোন জেলার ছেলেকে বিয়ে করবেন।

আপামনিরা, আপনারা যারা বিবাহযোগ্য মানে, যাদের বিয়ের বয়স হয়েছে, এখন কিংবা অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করার চিন্তাভাবনা করছেন, তাদের জন্য অনেক গবেষণা করে আমি এই পোস্ট তৈরী করেছি। বিভিন্ন পরিচিত জন, এর আগের পোস্টে বিভিন্ন জনের অভিমত, আমার নিজের দেখা সব মিলিয়ে বিয়ে করার জন্য জেলা ভিত্তিক ছেলেরা কেমন হয়, সেটা নিয়েই আজকের পোস্ট ।

আমি বেশ কিছু জেলা সম্পর্কে জানালাম, আপনারা যদি নিজেদের সম্পর্কে, নিজের জেলা সম্পর্কে মতামত দেন, সেটা মূল পোস্টে যোগ করে দিবো।


১।পুরানা ঢাকা: বিয়ের আগে ছেলেরা অনেক টাংকি মারে। তবে বিয়ের পরে বউয়ের প্রেমে মশগুল থাকে। পরকীয়ার সম্ভাবনা কম। বেশিরভাগই পিতার ব্যবসা করতে পছন্দ করে। পড়ালেখার হার কম। বাইরের কেউ এখানকার ছেলেকে বিয়ে করলে প্রথম প্রথম মানিয়ে নিতে অনেক কষ্ট হবে।

২। ঢাকা বিক্রমপুর: তারা নিজেরা অনেক উচু জাতের মনে করে। তাই সম মর্যাদা সম্পন্ন মানুষ খুজতে হিমশিম খায়। তবে এই এলাকার মানুষ গুলো সহজ সরল। তারা ব্যবসায়ী, ব্যবসা ভালো বুঝে।

৩। সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগন্জ : মানুষদের লেখাপড়া কম, সবাই লন্ডন যাওয়ার চিন্তা করে। হাতে কাঁচা টাকা বেশি। ধর্মভীরু, বউকে পর্দানশীল হিসাবে দেখতে ভালোবাসে। সিলেটী ছেলেরা সিলেটী ছাড়া বিয়ে করতে চায় না। এই জেলার ছেলেরা একটু অলস টাইপের। বোরকাওয়ালী মেয়ে বেশি পছন্দ করে।

৪।চট্টগ্রাম: ছেলেরা মোটামোটি রক্ষণশীল। বেশিরভাগই ব্যবসায়ীর ছেলে। ব্যবসা করতেই পছন্দ করে। ছেলেরা বউদের গয়না, শাড়ি কাপড় দিয়ে সব সময় খুশি রাখার চেষ্টা করে, ঈদ আসলে সেটা বুঝা যায়। ছেলেরা যৌথ পরিবারে থাকতে পছন্দ করে। পরকীয়া দেখা যায় না। চট্টগ্রামের ছেলেরা জেলার বাইরে থেকে বিয়ে করতে চায় না। কারণ এতে প্রাপ্তিযোগ কমে যায়। তবে এই জেলার মানুষদের সাথে আথিতিয়তাতে কেউ টেক্কা দিতে পারবে না।

৫। বরিশাল: ছেলেরা বিয়ের আগে ভালোই টাংকিবাজ থাকে। বিয়েটা যদি বরিশালের কোনো মেয়ের সাথে হয়, তবে ভাজাভাজি সংসার। এই ছেলে যদি অন্য কোনো জেলার মেয়েকে বিয়ে করে, তবে মেয়ের এডজাস্ট করতে অনেক সময় লাগে।
৬। নোয়াখালি: এই এলাকা সম্পর্কে বেশি বলার নাই, সবাই জানে, নোয়াখালির ছেলেরা কেমন। প্রচন্ড স্বার্থপর। তবে নিজের বউয়ের জন্য সাত সাগর পাড়ি দিতে পারে নোয়াখালীর ছেলেরা। এই জেলার ছেলেরা বেশ কর্মক্ষম, পরিশ্রমী। তাই জীবনে উন্নতি অনিবার্য।

উহারা লুল হলে মারাত্মক লুল এবং মিথ্যুক!!!!!ভেজা বিড়াল ভাব দেখায়! আসলে সব দেখে শুনে কিন্তু ভাব দেখায় কিছুই দেখে নাই। ড্রেস আপের সেন্স খুব একটা ভালো না।বেশি পাংকু সাজার চেষ্টা করে আসলে ক্ষেত!!!!! অন্যকে নকলের প্রবণতা বেশি। ভাষায় উচ্চারণগত সমস্যা আছে। শো-অফ করে বেশি।মানে যা ফিল করে তার-চে অনেক বেশি দেখানোর চেষ্টা করে। সাংসারিক অন্যায়ের প্রতিবাদ করেনা! শ্বশুরবাড়ি এসে বসে থাকে। এক্সট্রিমিস্ট।তাদের মতে বউরা কাঠপুতলি। যা বলুম তা শুনব! স্বৈরাচারি মেন্টালিটির। (এই অংশটুকু ব্লগারদের মতামত, লিংকের পোস্ট)

আরো বিশদ জানতে চাইলে নিচে ১২২ নাম্বার কমেন্টে ব্লগার আবিরে রাঙ্গানোর মতামত দেখেন।

৭ । রাজশাহী : এখানকার ছেলেরা একটু ল্যুজ টাইপের হয়। তবে পড়ালেখায় ভালো। বিয়ের পরে শ্বশুর বাড়ীর সাথে সম্পর্ক ভালো থাকে।

৮। রংপুর, দিনাজপুর: রংপুর, দিনাজপুর এবং ঐদিকের ছেলেরা খুব সহজ- সরল হয়, পাত্র হিসেবে এদের জুড়ি নেই।

৯। চাঁদপুর : চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী । একটা সহজ জিনিসকেও জটিল করে চিন্তা করতে পছন্দ করে এই জেলার ছেলেরা। কিছুটা সন্দেহ বাতিক।

১০।কুমিল্লা: মারাত্মক সন্দেহ প্রবণ, সবসময় বউকে চোখে চোখে রাখতে পছন্দ করে। ছেলেদের মধ্যে পরকীয়ার প্রবণতাও আছে। তবে ছেলেরা বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়ীর সাথে সম্পর্ক ভালো রাখে।
১১। ফরিদপুর : মানুষগুলা একটু কিপটা স্বভাবের। একবার এডজাস্ট হয়ে গেলে পরে সমস্যা হয় না।
১২। গোপালগন্জ : এই জেলার ছেলেরা এক নারীতে সন্তুষ্ট নয়। প্রেম করেও একসাথে একাধিক মেয়ের সাথে। বিয়ের পরে পরকীয়ারও চান্স নিতে চায়।

১৩। খুলনা : এই জেলার ছেলেরা ভেড়া টাইপের, বউ সবসময় মাথায় ছড়ি গুড়ায়, বউয়ের প্রেমে পাগল থাকে সবসময়।

তবে ব্যতিক্রমও আছে, যেমন : খুলনার ছেলেরা বউ মেরে নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করে........... তাই সাবধান! (ব্লগারদের মতামত)


১৪। ময়মনসিংহ: এখানকার ছেলেরা মারাত্মক রোমান্টিক কিন্তু পরকীয়াও করতে চায়।

১৫। গাজীপুর : পড়ালেখা কম, শুধু জায়গাজমির হিসাব করতে বেশি পছন্দ করে। এক একজন অনেক পরিমাণ জায়গার মালিক। জায়গা বিক্রি করে, হোন্ডা কিনে, তাদের সব প্রভাব হলো পৈতৃকজমিকে নিয়ে। নিজে কিছু করার ইচ্ছে থাকে না।

১৬। টাঙাইল, সিরাজগ্জ: অনেক নদীভাঙা মানুষ আছে, যারা ঘর জামাই হতে বেশি পছন্দ করে। তবে মানুষগুলো ভালো,, কিন্তু কিছু আছে টাকা ওয়ালা স্বশুর দেখে বিয়ে করে সম্পত্তির জন্য।


১৭। ঝালকাঠি, বরগুনা, পিরোজপুর : এইদিকের মানুষগুলো একটা বোকাসোকা টাইপের। কারো সাথেও পাচেও নাই। নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করে।
১৮। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এদের মধ্যে অনেকেই আছে উপজাতি, এই সম্পর্কে আমার জানা নাই, যারা বাঙালী আছেন, তাদের অনেকেরই পূর্বপুরুষ বার্মা থেকে আগত। রুক্ষ স্বভাবের। বদমেজাজীও।

১৯। বগুড়া : ছেলেরা টাউট প্রকৃতির হয়। কিন্তু তাদের সবটুকু ভালোবাসা শুধু বউয়ের জন্যই থাকে। (ব্লগারদের মতামত)

২০। হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জের ছেলেরা অলস প্রক্রিতির তবে মন ভাল, ভালবাসা পেলে ভালবাসার জন্য মরতে প্রস্তুত।

২১। যশোর, চুয়াডাংগা : ছেলেরা চরম অলস (খালি ঘুমায়), পরের ধনে পোদ্দারি করতে এদের জুরি নাই, একসাথে কয়েকটা প্রেম চালায়া যায় - মাইয়া পটাইতে ওস্তাদ আর গাঁয়ে মানেনা আপনি মোরল টাইপ । (ব্লগারদের মতামত)
যশোরের পুলাপাইন অলস। সুযোগ পাইলেই ঝিমায়। তবে ক্যারেকটার ভালো। সাহস বেশি। নেতা গোছের পোলাপাইন বেশি দেখা যায়।(ব্লগারদের মতামত)


২২। মাদারীপুর : আপনি যদি ঢাকায় ভাড়া থাকেন তাহলে বেডরুম নিবেন মিনিমাম ৩ টা ,কারণ সময়ে অসময়ে আপনার জামাই এর পুরা এলাকা আপনাদের বাসায় মাসের ১৫-২০ দিনই থাকবে । ছেলেরা খুবই মিশুক আর প্রচুর চালাক আর তারা কথায় বেশ পটু হয় তারা বেশি ভাগই বৌ বাউরা(ঢাকাইয়া শব্দ মানে হইল বৌ পাগল) (ব্লগারদের মতামত)










এটা মূলত জনমত জরিপের মত বিভিন্নজন থেকে প্রাপ্ত মতামত। আপনাদের যে কোনো মতামত সাদরে গৃহীত হবে, এবং মূল পোস্ট যুক্ত করা হবে।

যারা যারা বিয়ে করতে যাচ্ছেন, তারা ঢু মারেন। কোন জেলার মেয়ে বিয়ে করবেন?

সবাই তো চায়, নিজ জেলার মেয়েকে বিয়ে করতে। অনেক পরিবারের মা-বাবারও ইচ্ছে থাকে, নিজ জেলাতেই মেয়েকে বিয়ে দিতে। এটার অবশ্য একটা কারণও আছে, বিয়ে পরবর্তী আচার,সমাচার, দেওয়া নেওয়া, সামাজিকতা এইসব লোকজ সংষ্কৃতি আঞ্চলিকতার উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ভিন্ন আঞ্চলিকতার আচার ব্যাবহারের জন্য বিবাহ পরবর্তী সময়ে অভিভাবকদের মাঝে অনেক মনোমালিন্য ও দেখা যায় মাঝে মাঝে, তবে এটা খুব প্রকট নয়।

তারপরও এই ট্রেন্ডে ইদানিং পরিবর্তন আসা শুরু হয়েছে। এর বড় অংশই দেখা যাচ্ছে ঢাকাতেই।ঢাকা শহরে বসাবাসকারীদের একটা বড় অংশই ঢাকার বাইরে থেকে আসা। হয়ত ছেলে-মেয়ের জন্ম ঢাকাতেই, কিন্তু রুটস (বাপের বাড়ী, দাদার বাড়ী) ঢাকার বাইরে। ভিন্ন ভিন্ন রুটসের পরিবারের মধ্যেও এখন বিয়েটা তেমন বড় কোনো বাঁধা নয়। অনেক অভিভাবক এটাকে উদার ভাবেই মেনে নিচ্ছেন।

তারপরও যদি হয়, এরেন্জেড ম্যারেজ, তবে অভিভাবকরা চাচ্ছে নিজ জেলা, পাশ্ববর্তী জেলা, কিংবা নিদেন পক্ষে একই বিভাগের মেয়ের সাথে ছেলেকে বিয়ে দিতে।

আমার চেনা জানা বিভিন্ন বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন সময়ের আড্ডাতে লোকেশান ভিত্তিক প্রচুর বিভিন্নতা খেয়াল করেছি। তার কয়েকটা এই রকম।




১। যশোর-খুলনার মেয়েরা অনেক সুন্দরী। যশোরের মেয়েরা কুটনামিতে খুব ওস্তাদ হয়, প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। আর শ্বশুরবাড়ীর লোকজন সহ্যই করতে পারেনা। পরকিয়াতেও ওস্তাদ যশোরের মেয়েরা। (আংশিক ব্লগারের মতামত।)

২।চট্টগ্রামের মেয়েরা বাইরের জেলাদের ছেলেদের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিছুটা কনজারভেটিভ।

৩।সিলেটী মেয়েরা পর্দানশীল বেশী। সিলেটি মেয়েরা সাধারণত বাইরের জেলা তে বিয়ে করতে যায় না। আত্মীয়দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। সিলেটী মেয়েরা ছ্যাচড়া। (আংশিক ব্লগারের মতামত।)

৪।পুরার ঢাকার মেয়েরা খুবই দিলখোশ। ঢাকার অন্য এলাকার মেয়েরা জগাখিচুরি

৫।খুলনার মেয়েরা স্বামী অন্ত প্রাণ। খুলনার মেয়েরা নাকি ফ্যামিলির ব্যাপারে একটু সিরিয়াস টাইপের হয় ৷(আংশিক ব্লগারের মতামত।)

৬।উত্তর বঙের মেয়েরা কোমলমতী হয় এবং বেকুব ও আনক্রিয়েটিভ ।(আংশিক ব্লগারের মতামত।)

৭।বরিশালের মেয়েরা একটু ঝগড়াটে, ভালো রাঁধুনী, ন্যাচালার সুন্দরী , সংসারী এবং স্বামীভক্ত। কিন্তু বরিশাল থেকে সাবধান, যতই সুন্দর হোক, জীবন বরবাদ করে দেবে। (ব্লগারদের মতামত।)

৮।ময়মনসিংহের মেয়েরা একটু বোকাসোকা, কেউবা বদমাইশ।কেউ কেউ স্মার্ট এবং ডেয়ারিং (আংশিক ব্লগারের মতামত।)

৯। সিরাজগন্জের মেয়েরা ভালো, যদি শান্তিতে ঘর করতে চান। (ব্লগারদের মতামত।)

১০। বগুড়ার মেয়েরা ঝাল। (ব্লগারদের মতামত।)

১১। কুষ্টিয়ার মেয়েরা অহংকারী, কিন্তু সেই তুলনায় গুনবতী নয়। মননশীল, রুচিসম্পন্ন। যাকে ভালবাসে সত্যিকারের ভালবাসে, কোন রাখঢাক নাই।

১২।বি বাড়িয়ার মেয়েরা পলটিবাজ কিন্তু পতিভক্ত ও সংসারী (ব্লগারদের মতামত।)

১৩। রাজশাহীর মেয়েরা একটু লুজ । (ব্লগারদের মতামত।)

১৪।পাবনার মেয়েরা কুটনা হয়ে থাকে।(ব্লগারদের মতামত।)

১৫। জামালপুরের মেয়েরা বেশি স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।এই জেলায় সুন্দরীদের ঘনত্ব বেশি।(ব্লগারদের মতামত।)

১৬।নোয়াখালী: বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদেরকে ভুলতে চাইলে নোয়াখালীর মেয়েদের তুলনা নেই । বেশির ভাগ মেয়ে কারো কথার নিছে থাকতে চায়না । এরা চরম কুটনা হয়। তবে তারা শশুড়বাড়ির জন্য করতে চাইলে নিজের সব দিয়ে করে, না করলে নাই!(ব্লগারদের মতামত।)

১৭। ফরিদপুরের মেয়েরা চোরা স্বভাবের।ওদের মত কুটিল প্যাচের মানুষ খুব কমই হয়।(ব্লগারদের মতামত।)

১৮।কুমিল্লার মেয়েরা শ্বশুরবাড়ির মানুষদের পছন্দ করেনা।কুমিল্লার মেয়েরা সুন্দরী, অনেক দায়িত্বশীল, তবে সংসারে প্রভাব বিস্তার করতে বেশি পছন্দ করে।(ব্লগারদের মতামত।)

১৯।টাংগাইলের মেয়েরা খুব ভাল হয়, বান্ধুবী হিসেবেতো বটেই, পাত্রী হিসেবেও। .এ অঞ্চলের মাইয়াগুলো দুনিয়ার বজ্জাত... তবে বান্ধবী হিসাবে ভালু..একটু দিলখোলা টাইপের (ব্লগারদের মতামত।)

২০।মাদারিপুরের মেয়েরা খুবই কিউট, খুব খরচে, জামাইয়ের পকেট ফাকা করতে উস্তাদ।(ব্লগারদের মতামত।)

২১।চাঁদপুরের মেয়েরা মানুষ হিসেবে খুবই ভালো, অথিতিপরায়াণ।তাদের সরল ভালবাসায় আপনি মুগ্ধ হবেন। আর শ্বশুরবাড়ী চাঁদপুর হলে ইলিশ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না । আর আসল কথা হলো চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী। চাদপুরের মেয়েরা ছেলে ঘুরাতে ওস্তাদ। (ব্লগারদের মতামত।)


২২।দিনাজপুরের মেয়েরা যে খুব সুন্দরী হয়।(ব্লগারদের মতামত।)

২৩।চাপাই নবাবগঞ্জের মানুষ সরল মনের অধিকারী। (ব্লগারদের মতামত।)

২৪।গাজীপুরের মেয়েরা খুব ই ভাল, মিশুক এবং রসিক ।এখাঙ্কার মেয়েরা জেদী, লাজুক ,মিডিয়াম সুন্দর, মিডিয়াম স্মার্ট এবং সংস্কৃতি মনা।(ব্লগারদের মতামত।)

২৫। নরসিংদীর মেয়েরা উড়াল পঙ্খীর মতো তাদের মন আর চলার ঢং । (ব্লগারদের মতামত।)

২৬।কিশোরগঞ্জের মেয়েরা একটু বোকাসোকা আর ডেয়ারিং প্রকৃতির। মিশুক, বন্ধুপাগল বা বন্ধুপ্রেমী হয়। স্বামী ভক্ত হয় তবে এমনও হতে পারে যে সারাজীবন বউয়ের দ্বারা নিগৃহীত হওয়া; অসম্ভব কিছু না। (ব্লগারদের মতামত।)




----- আরো অনেক আছে, ভয়ে আছি, কে কোন দিক থেকে লোকেশন নিয়ে আমাকে বাঁশ দেয় জানি না। তাই আর উল্লেখ করছি না। এইগুলো জাস্ট বিভিন্ন সময় আড্ডা থেকে পাওয়া, নানা জনের মতামত।

ব্লগারগণ যদি কোনোটা উল্লেখ করেন, যোগ করে দিবো।


স্বীকারোক্তি: জেলাভিত্তিক এই মন্তব্যগুলো বন্ধু/ব্লগারদের থেকে পাওয়া। কাউকে/ কোনো জেলাকে হেয় করার জন্য নয়।কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমাপ্রার্থী।


আর আফামনিদের হতাশ হওয়ার কিছু নাই, আপনাদের জন্য ও আছে।

বিবাহযোগ্য আপামনিরা দেখে নিন, কোন জেলার ছেলেকে বিয়ে করবেন।

ডেস্টিনিতে ৫ ঘন্টা

ঈমানে কইতাছি, টানা ৫ ঘন্টা সিটিং দেবার পর এহন আমারও গলায় টাই বানতে মন চাইতাছে।

শুরুটা বে-রশিক বিদ্যুতরে নিয়া। মামার লগে বাইর হওনের কতা ২:৩০ মিনিটে। বিদ্যুতের আসার নাম নাই। আমি গোসল করমু কেমনে? ট্যাংকিতে পানি নাই। আমি শুয়ে আছি। আর মামায় বিদ্যুতরে গালী দিতাছে। ঠিক সোয়া দুইটায় আমারে শোয়া থেকে তুলতে বিদ্যুতের আগমন, আমার তৈরি হওয়া এবং মামার সাথে পল্টন গমন।

শুরু হইল সিটিং পিএসডি জনাব x (নাম না হয় নাই জানলেন) সাহেবের সাথে। তিনি কামেল মানুষ। আগে হোমিও ডাক্তার ছিলেন। বিঢ়াট নাম যশ ছিল। কামেল মানুষ এহন চেম্বার ফালয়া ডেস্টিনির পিএসডি। কোন কাম না কইরা ঘরে বইসা কামাই করে মাসে ৫০০০০ কাচা ট্যাহা। আমি বেকার আর দইন্যার আইলস্যা মানুষ। লোভ সামলাইতে পারলাম না। কইলাম, আমারে কি করতে হপে কন? আমিও ট্যাহা কামাইতে চাই। তিনি কহিলেন, ভাগিনা, তুমি আমগরে একটা ৫০০ পয়েন্টের প্যাকেজ কেন। তোমারে সদস্য করে নেয়া হবে। আমি কই, আপনেরা নাকি মানুষ লই ব্যবসা করেন? পিরামিড স্কিম না নাম। পন্য কিন্যা কি হইবে? তিনি চেইতা কইলেন, কেডায় কয়? আমরা করি MLM। এর লগে মাইনষের কুনু সম্পর্ক নাই। আমি কই, কন কি? আমারে মানুষরে ধোকা দিয়া বোকা বানাইতে হইব না? ডাইন হাত বাম হাত তত্ব কি ভুল? হেয় কয়, অবশ্যই ভুল। তোমার সার্কেল পুরন হইব পন্য বিক্রয়ের মাধ্যমে। তোমার লেফট হ্যান্ড সার্কেল আর রাইট হ্যান্ড ............... (কম বেশি মনে হয় সবাই জানেন। তাই বিস্তারিত বললাম না)। আমি এইবার হিসাবে নাইমা পডলাম। আমি ৪০ সাইকেল পন্য কিইন্যা/বেইচ্যা আমার পিএসডি হইতে হইলে ডেস্টিনির লাভ দেয়া লাগবেক, ৪০(সাইকেল)*২১০০০(প্রতি সাইকেল পুরনের পয়েন্ট)*৫.৫(প্রতি পয়েন্টে ডেস্টিনির লাভ) ৪৬ লাখ ২০ হাজার ট্যাহা। খেয়াল কইরেন, এই ট্যাহা কইল খালি ডেস্টিনির লাভের পরিমান। পন্য ক্রয়ের পরিমান না। মানে ধরেন আমি ৫০০০ টাকার পন্য কিনলাম। সেই পণ্যে ডেস্টিনির লাভ যদি ২৭৫০ ট্যাহা হয় (তাদের হিসাবে। আসল লাভ কত কে জানে?) তয় আমার পয়েন্ট হইবেক ৫০০। আমার ৫০০০ টাকায় কোন পয়েন্ট নাই। মানে ১ পয়েন্ট পাওয়ার জন্য আমাকে কোম্পানীকে অবশ্যই ৫.৫ ট্যাহা লাভ করায়া দিতে হবি। আমি কই, অত ট্যাহা কই পামু? কয় বিকল্প পথও আছে। আমি খুশিতে নাইচ্যা উডি। কই জলদী কন। উনি কন, তুমি যদি দুইট্যা লোকের কাছে পন্য বিক্রয় করে আমাদের সদস্য বানায়া দেও, তবে তারা যে পন্য কিনব বা বেচব, তার রয়ালিটি পাইবা। তাদের পয়েন্ট তোমার পয়েন্টের সাথে যোগ হইব। তুমি জলদী জলদী কোন কাম না কইরা পিএসডি হবা। মনে মনে কইলাম, যাউগ্যা- অবশেষে শিং দেখাইন্যা শুরু করছে। আর বাইরে বাইরে কইলাম আফনে না কইলেন মানুষ নিয়া কোন কারবার নাই। তিনি কন, ঠিকইতো কইছি। আমগরে ব্যবসা পন্য। তয় মানুষ না থাকলে কিনব কেডা? এই জন্যই মানুষ। আমি তার পল্টি প্রতিভায় মুগ্ধ হয়া আর কথা বাডাইলাম না। কইলাম, আফনের পন্যের বিবরণ দেন। একটা কিইন্যা নিজেরে ধন্য করি। উনি প্রথমেই বাহির করিলেন ফুট মেসেজার। কইলাম, ইহা দিয়া কি হয়? উনি কহিলেন, ঘরে বসিয়াও শরীর চর্চা করা যায়। আমি বিরক্ত হইয়া কহিলাম, বাসার সম্মুখে বিশাল মাঠ। শরীর চর্চার প্রয়োজন হইলে মাঠে দৌড় দিমু। তিনি কহিলেন, ভাগিনা, বৃষ্টির দিনে কি করবা? আমি কইলাম, জিমে ভর্তী হমু। উনি কয়, ঠিকাছে। আস গাছ লাগাই। আমি খুশি হইলাম। গাছ লাগান তো ভালা কাম। আমি রাজি। তিনি খুশি হইয়া কহিলেন, ৩০টা গাছ ১০,০০০ ট্যাহা। ১২ বছর পর রিটার্ণ পাইবা ২৭০০০ (৩০০০০ এর কতিপয় চার্য কর্তন করা হবে)। অংকে কাচা আমি আবারও হিসাবে বসিলাম। ৩০টা চারা গাছ। দাম ১০০০০। প্রতিটার দাম পড়ব ৩৩৪ ট্যাহা(প্রায়)। আমি আৎকায়া উডি কইলাম, আমি মানি না। আমি প্রতিডা চাড়া ৫ ট্যহা করি কিনি ৫০ টা চারা লাগামু। বাকি ৯৭৫০ ট্যাহার মাসে ১০০ ট্যাহা করি গ্রামের কোন লোকরে দিয়া ৮ বছর যত্ন নিতে কমু। যদি ৫ টা গাছও বাচে, দেহমু রিটার্ণ আপনার বেশি না আমার বেশি। উনি কয়, গাছ লাগাইবা, জায়গা পাবা কই? আমি কইলাম আপনারা যেমন পাইছেন। উনি কয়, বুঝলাম না। আমি কইলাম, আপনারা যেমন সরকারী জায়গায় লাগাইছেন, আমি লাগামু সরকারী রাস্তার ধারে (আমার চাচাত ভাই এই কাজ করেছে। আমাদের থানার টি.এন.ও নিজে এসে উৎসাহ দিয়ে গেছে।) উনি কয়, ঠিক আছে। এটাও বাদ। তুমি কও, তুমি কি পন্য চাও? আমি কইলাম, বাজারে চাউলের দাম বেশি। আপনারা যদি ডাইরেক্ট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আমরে স্বল্প মূল্যে চাউল দিতেন!!!!!! উনি কইলেন, আমরা কুমিল্লা সহ বেশ কিছু অঞ্চলে এই কাজ শুরু করছি। আমি কইলাম, শুইন্যা শান্তি পাইলাম। আমিতো কুমিল্লায় থাকি না। থাহি, ঢাকায়। সামনে রমজান। সব জিনিষের দাম বাড়ব। যদি রমজানের..........। কথা শেষ করবার পারি নাই। আরেক কামেল (পিএসডি ২) এতক্ষণ পাশে দাড়ায়া শুনতেছিল, তিনি আইস্যা আসন গ্রহন করিয়া আমাকে ধন্য করিলেন। অত:পর কহিলেন, আপনি কি সদস্য হইতে আসিয়াছেন, নাকি জানতে? আমি সরাসরি কহিলাম, জানতে। তিনি উত্তেজিত হইয়া কহিলেন, তাহরে আপনাকে জানায়া দেই। আমরা কি পন্য নিয়া ব্যবসা করিব, সেটা আমাদের ব্যাপার। আপনার কোন পরামর্শ লাগবে না। আমরা ভাবিয়া দেখিব কোন পণ্যে লাভ বেশি। তা আপনি কি করেন? আমি মাথা নিচু কইরা কহিলাম, বেকার। তিনি আমার পড়াশোনার দৌড় জানতে চাইলেন। মিনমিন কইরা কইলাম, প্রইভেট ভার্সিটি থেকে এমবিএ। তিনি তারপর আমারে জিগাইলেন, আমি স্বপ্ন দেহি কি না। আমি কই না, দেহি না। তিনি কইলেন, কেন? আমি কইলাম দিন রাত মিলায়া ঘুমাই ৩/৪ ঘন্টা। এমন মরার মত ঘুমাই, স্বপ্ন দেহার সময়ই পাই না। তিনি মুচকি হেসে কহিলেন, আপনি তো স্বপ্নের সজ্ঞাই জানেন না। আমি কইলাম, “হ, আসলেই জানি না। শুধু জানি স্বপ্ন সেটা না, যেটা আপনি ঘুমের মাঝে দেখেন। স্বপ্ন সেটাই, যেটা আপনাকে ঘুমাতে দেয় না (আমি ঠিক মনে করতে পারছি না এটা কার উক্তি। কেউ জানলে দয়াকরে নামটা বলে দিয়েন)।“ চারদিকে ব্যাপক হাততালিয়ার শব্দ পাইলাম। ভাবলাম সবাইরে তাক লাগায়া দিছি। আসল ঘটানা কিন্তু ভিন্ন। একটা শিকার টোপ গিলেছে। সেই খুশিতে শিকার এবং শিকারী কোলাকুলি করতেছে। বাকিরা হাত তালি দিতাছে। এবার কামেল পিএসডি ২ কয় আমার স্বপ্ন না থাকলেও হেগরে নাকি স্বপ্ন আছে। সেইটা হইল ২০১২ সালে বাংলাদেশে কেউ গরীব থাকব না। আমি দেখলাম, তিনি যে চেয়ারে বইস্যা আছে সেই চেয়ারের গদি ছেড়া। খালি ছেড়া না, বেশ ছেড়া। তাই সুযোগ নিয়া কইলাম, কেউ গরীব না থালে ঐ চেয়ারডা সেলাই করব কেডা? চেয়ারের গদী সেলাই করা লোকটাতো তখন চেয়ার সেলাই বাদ দিয়া ডেস্টিনির মাল বেচব। তিনি কহিলেন, কেন? উন্নত বিশ্বের লোকেরা কি করে? নিজের চেয়ার নিজে সেলাই করমু। আমি কই, আমরা খামু কি? কৃষক ধান চাষ না কইরা ডেস্টিনি করব। আমগরে কি হইব? তিনি অত্যাদিক ক্ষেপিয়া কহিলেন, দুনিয়ায় আপনিই একমাত্র বুদ্ধিমান লোক নহে। প্রাইভেট ভার্সিটি থেকে পাশ কইরা মহা জ্ঞানী হয়া যান নাই।
আহা! তারা আমারে এমুন সম্মান দিল! আমারে বুদ্ধিমান কইল? আমি খুশি হইয়া বাকবাকুম কইরা কইলাম, "জ্ঞানী গুনি কারা ডেস্টিনি করে। অধমরে একটু জানাইবেন কি?" তিনি কহিলেন, ঢাকা ভার্সিটির অনেক ছাত্র/ছাত্রী চাকুরি না কইরা ডেস্টিনি করে। তারা কোটি কোটি টাকা কামায়। টাকার কথা শুনে আবার আমার দিলডা ধ্বক কইরা উঠল। কইলাম, ঢাকা ভার্সিটির মোট স্টুডেন্টের কত পার্সেন্ট ডেস্টিনি করে? .০০০১% হবে তো? তিনি এইবার অত্যাধিক ক্ষেপিয়া উঠিলেন? বলিলেন, “এই জন্যইতো মিয়া আপনার চাকরি হয় না। বেশি বোঝেন তো? এই বেশি বুঝ নিয়াই থাইকেন।“ তাহার উত্তেজিত চেচামেচিতে (সাথে আমারটাও যোগ করে নিয়েন। ধৈর্য্যর বাধ ভেঙ্গে গেছিল) আশে পাশের বেশ কয়েকটা কামেল সাথে চামচা হাজির। সাবাই আমারে বুঝাইতে চায়। কিন্তু আমি বুঝি না। আমার বুদ্ধি কম। কি করমু কন? এক মহা ঢঙ্গী তরুনী বাঘিনীর ন্যায় আমারে জিজ্ঞেসিল, “আপনি কি কইতে চান, আমরা ৩৪ লাখ সদস্যর মাথায় কোন বুদ্ধি নাই?” আমি ভয় পাইলেও সাহস কইরা উত্তর দিলাম, “আমি কইতে চাই, আপনারা এক মাস্টার মাইন্ডের ভিক্টিম, এহন অন্যদের ভিক্টিম বানানোর তালে আছেন।“ সাথে সাথে একজনের উত্তর, “আপনার সাথে আমার পার্থক্য কোথায় শুনবেন? আপনি এত বুঝেও বেকার। আমি ডেস্টিনি করে দুইটা টাকা কামাই করি।“ বাবারা, আমারে চেন নাই। সাথে সাথে কইলাম, “চোরওতো চুরি কইরা দুইটা টাকা কামায়। কাইল থেকে কি আমি চুরি করমু?” সাথে সাখে এক কামেল পিএসডি যে মার্কেটিং এ এমবিএ করা এবং ইতিপুর্বে আমি ফাইন্যান্সের ছাত্র বলিয়া আমি মার্কেটিং বুঝিনা এই মর্মে আমাকে সাপ্লাই চেইন বোঝাইতে আসছিল, কহিয়া উঠিল, “ঐ মিঞা, আপনে এখানে আসছেন কেন? বাইর হন এখান থেইক্যা।“

দাওয়াত দিয়া ডাইক্যা আইন্যা এমুন অপমান। ভাইরে, কেউ আমারে একটা টাই দেন। টাইডা গলায় বাইন্ধা যদি ফাসি নেওনের কামডা চলে।


নোট: টানা ৫ ঘন্টার সিটিং। সহজে কি শেষ হয়? ২/৩ বার মাফ চাই কইয়া পালাইতে চাইছি। পালাইতে দেয় না।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন!


বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকের ই জাতীয় পরিচয় পত্র আছে। অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড হিসাবে বলেন যেটা সম্পুর্ণ ভুল। এটা ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র।

আপনারা দেখবেন এটার নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি।

কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?

১। এর প্রথম ২ সংখ্যা - জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।

২। পরবর্ত্তি ১ সংখ্যা - এটা আর এম ও (RMO) কোড।

সিটি কর্পোরেশনের জন্য - ৯
ক্যান্টনমেন্ট - ৫
পৌরসভা - ২
পল্লী এলাকা - ১
পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা - ৩
অন্যান্য - ৪

৩। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা উপজেলা বা থানা কোড

৪। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)

৫। শেষ ৬ সংখ্যা - আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।

বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্মসাল!

জানুন এবং সব্বাইকে জানান!

কিভাবে ওডেস্ক-এর জবে বিড বা অ্যাপ্লাই করবেন ?

আলোচনা করেছিলাম কিভাবে ওডেস্কে বিভিন্ন স্কিল টেস্ট দিতে হয়। এবারের আলোচনার আপনারা জানতে পারবেন কিভাবে ওডেস্ক-এর জবে বিড করবেন। অনেক সাধারণ ব্যবহারকারী ধারণা করেন ওডেস্ক-এ অ্যাকাউন্ট তৈরি করলেই কাজ করা যায় এবং টাকা উপার্জন করা যায়। তাদের এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কাজ পাবার জন্য আপনাকে অবশ্যই জবে বিড করতে হবে। আর বিড করলেই যে আপনি কাজ পাবেন তা কিন্তু নয়। আপনার অ্যাপলিকেশন বায়ারের পছন্দ হলে তিনি যদি আপনাকে হায়ার করেন তবেই আপনি কাজটি পাবেন এবং চুক্তি অনুযায়ী টাকা উপার্জন করতে শুরু করবেন।

Gorge

তাহলে এবার বুঝেছেন কি জবে বিড করা কতটা জরুরী। ওডেস্ক-এ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অনেক গুলো জব পোস্ট হচ্ছে। উক্ত ক্যাটাগরি থেকে আপনার উপযোগী একটি বিষয় নির্বাচন করে পোস্টকুত জবে অ্যাপ্লাই করুন। এখানে আপনার উপযোগী বলতে আপনি নিজে যে সকল বিষয়ে পারদর্শী সে বিষয়গুলোতে বিড করতে পারেন। যে বিষয়গুলো ভালভাবে জানেন না বা বুঝেন না সে বিষয়গুলোতে বিড করা থেকে বিরত থাকুন। ওডেস্ক-এ দুই ধরণের জব পাওয়া যায়। একটি Hourly এবং অন্যটি Fixed price জব। Hourly এবং Fixed price জবে বিড করার প্রক্রিয়ার মধ্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে এখানে দুইটি বিষয়ই আলাদাভাবে আলোচনা করা হবে।

এবার আলোচনা করা যাক ওডেস্ক-এ জবে বিড করার পদ্ধতি নিয়ে। ওডেস্ক-এ জবে বিড করার জন্য আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। হোম পেজ থেকে মাউস পয়েন্টারটিকে মেন্যু বার এর Find Contractors & Jobs লিংকের উপর নিয়ে আসুন। একটি ড্রপডাউন মেন্যু আসবে।
odesk-menu

এই মেন্যু থেকে Find Jobs লিংকে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের ছবির মতো ওডেস্ক-এর জব ক্যাটাগরির একটি পেজ আসবে।

এখানে ওডেস্ক-এর সকল ক্যাটগরি এবং এদের সাব ক্যাটাগরির তালিকা পাবেন। এই তালিকা থেকে আপনার উপযুক্ত এবং পছন্দনীয় ক্যাটাগরিটি নির্বাচন করুন এবং উক্ত লিংকের উপর মাউস পয়েন্টর দিয়ে ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত বিভাগের পোস্টকৃত জবের টাইটেল এবং বর্ণনা প্রদর্শিত হবে। যা দেখতে
job-page

এখান থেকে আপনি যে কোন একটি জবের লিংকের উপর ক্লিক করুন। একটি পেজ আসবে।
fixed-price-job1

এই পেজে উক্ত জবের টাইটেল এবং জবের বিস্তারিত বর্ণনা দেখা যাবে। জবটি কিভাবে সম্পন্ন করতে হবে বায়ার তা জব ডিক্রিপশনে উল্লেখ করে থাকেন। ডান পাশে লক্ষ্য করে দেখুন লেখা আছে Job Overview| এই অংশে আপনি জানতে পারবেন জবের টাইপ, জবের বাজেট, কখন শুরু করতে হবে, কখন জমা দিতে হবে ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য। About the Employer অংশ থেকে আপনি জানতে পারবেন বায়ারের অবস্থান, পেমেন্ট মেথড, ফিডব্যাকসহ আরও বিভিন্ন তথ্য। এগুলো সব কিছু দেখে যদি ধারণা হয় আপনি কাজটি সফল ভাবে করতে পারবেন তাহলে হলুদ রংয়ের Apply to this Job বাটনে ক্লিক করুন। যদি জবটি বা প্রজেক্টটি Fixed price হয়ে থাকে তাহলে একটি পেজ আসবে।
fixed-2

এই পেজ থেকে Paid to you অপশনে এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে কত ফি নেবেন তার পরিমান লিখুন। এবার মনে প্রশ্ন আসতে পারে এখানে কত দেব? চিন্তার কোন কারণ নেই বায়ারের যা বাজেট তাই Charged to Employer এর ঘরে লিখে দিন। তাহলে এর ভেতরে ওডেস্ক এর ফি সহ আপনার ফি সব একসাথে হয়ে যাবে। এখন ভাবছেন বায়ারের বাজেট কত তা জানবো কিভাবে? Charged to Employer এর নিচে বায়ারের বাজেট উল্লেখ থাকে।

আগেই বলা হয়েছে ওডেস্ক Fixed price জবের পেমেন্টের নিশ্চয়তা দেয়না তাই Upfront payment অপশনের মাধ্যমে বায়ারকে তার বাজেটের কিছু অংশ ওডেস্কে জমা রাখতে বলতে পারেন। কিন্তু একটা সমস্যা হতে পারে অনেক বায়ার এই কাজটি পছন্দ করেন না। তাই আপনার অ্যাপলিকেশনটি বাতিল হতে পারে। কভার লেটারের টেক্সট বক্সে কভার লেটার লিখুন। যদি অ্যাপলিকেশনের রিলেটেড কোন ফাইল দিতে চান তাহলে Browse বাটনটি ব্যবহার করে ফাইলটি আপলোড করুন। এবার Apply to this job বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের ছবির মতো একটি পপ আপ পেজ আসবে।
popup

এখানে ওডেস্ক Fixed price জবের তিনটি রুলস্‌ থাকবে এগুলো Accept করার জন্য Yes I Understand চেকমার্ক বক্সে টিক দিন এবং Continue to apply বাটনে ক্লিক করুন। সবকিছু ঠিক থাকলে নিচের ছবির মতো My Job Application পেজটি আসবে।
my-job-application-page

Hourly জবের ক্ষেত্রে Apply to this Job বাটনে ক্লিক করলে একটি পেজ আসবে।
hourly-job

এখানে Paid to you এর ঘরে আপনার Hourly লিখুন। তারপর কভার লেটার লিখুন। যদি কোন ফাইল সাবমিট করতে চান তাহলে Browse বাটনটি ব্যবহার করে ফাইলটি আপলোড করুন। Agree to terms চেকমার্ক বক্সে টিক এবং Apply to this job বাটনে ক্লিক করুন।

ব্যস আপনার অ্যাপলিকেশন কমপ্লিট। এভাবে বিড করতে থাকুন আপনার পছন্দের প্রজেক্ট গুলোতে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

Look at this stone that exists in Jerusalem next to Qibla-e-Awal, the Masjid-e-Aqsa and is Never revealed by main stream media. There exists a huge stone, multi tons in weight and that is hovering above the ground since the time Holy Prophet...

Saturday, November 5, 2011

A very good way to send any one free sms worldwide.

Innovation is not a new matter in internet. Nowadays internet is being using for communication purpose. I am using internet for communication. I think a website (free) can help a lot. By using this website we can
send SMS to any country of the world without any cost.
For more detail please visit :
http://www.freesmscraze.com
http://www.bondsms.com

Earn money from home 100% guarenteed.

Dear reader,
If you are interested to earn money from home ,then I have a great opportunity for you. At least  $30(MINIMUM) per month and $150 (MAXIMUM) per month from home .Minimum $1 per day , Maximum $5 per day. Confirm and 100% safe earning. No money risk. If you are interested then contact with me.foysalfoysal@gmail.com or
call me : 88 01673037760
You can also contact with me via facebook.com
My facebook id is :
foysal_kader007@yahoo.com
User name :
Foysal Kader

Tuesday, November 1, 2011

Mobile phone is a part and parcel of our daily life. Nowadays mobile are using in various ways. Many people use many types of mobile phone. If any one want to use more mobile apps , then I think http://www.blazemedea.com can help a lot. For more detail please visit this web address.
http://www.blazemedea.com